মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে– সুনামগঞ্জে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সুনামগঞ্জের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার,সন্দেহভাজন ৪ জন আটক মো. আব্দুল আহাদ বার্তা বাহক পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আশরাফ আহমদ বার্তা বাহক পত্রিকার স্টাফ ফটোগ্রাফার হিসেবে নিয়োগ শাল্লার উজানগাঁও গ্রামের রুপ মিয়ার বসতঘর থেকে বিট্রিশ আমলের লোহার পিলার(মেগনেট) উদ্ধার সুনামগঞ্জের বুড়িস্থল এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষনের ঘটনায় জনতা গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোর্পদ জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে : খন্দকার মুক্তাদির জনগণের ভালোবাসা ও বিশ্বাসই আমার পথচলার শক্তি: কয়েস লোদী দ‍্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটালের উদ্যোগে মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না : বিরোধী দলীয় নেতা

সুনামগঞ্জের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার,সন্দেহভাজন ৪ জন আটক

প্রতিবেদক :
আপডেট : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিযনের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ৮ মাসের এক শিশুর মরদেহ সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহজনক অবস্থায় ৪জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে এস আই মোহন দাসসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আট মাস বয়সী শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির নাম আমির হামজা(৮ মাস)। সে লালপুর গুচ্ছগ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে। এই ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে নেয়া লালপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে মণির হোসেন(৩০),আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৩৭),মণির হোসেনের মা রাবেয়া বেগম(৫৫) ও জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আফিয়া বেগম(৩৫)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশুটির মা সাবিকুন নাহার সকালে ঘুম থেকে শিশুটিকে তার পিতার কাছে ঘুমে রেখে শ্বশুরবাড়িতে যান।

সকাল ৭টায় শিশুটির পিতা সাব্বির হোসেন ঘুম থেকে উঠে শিশু ছেলেটিকে বিছানায় না দেখে খোজাঁখুজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে গুচ্ছগ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী নাঈম মিয়া ট্যাংকির কাছে গিয়ে ঐ শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে সদর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্যাংকির ভেতরে শিশুটির লাশ দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। পুলিশ হেফাজতে আনা সন্দেহভাজন চারজনের নিহত শিশুটির পিতা সাব্বিরের হোসেনের সাথে পূর্ববিরোধ থেকেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,এই চারজনকে সন্দেহজনক অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে। এই ঘটনায় শিশুটির পিতা অবিযোগ দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com