জাউয়াবাজার ইউনিয়নের বড়কাপন আটগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আল মামুন শাহীন, পিতা—সমুজ আলী, যিনি জাউয়াবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা গুরুতর অভিযোগগুলো নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগে কথিত ভুক্তভোগী হিসেবে একই এলাকার তানিয়া বেগম, পিতা—ফয়েজ আলী-এর নামও সামনে এসেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি।
স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে জাউয়াবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে আপসের চেষ্টা বা আপস করা হয়েছে। তবে এ দাবির সত্যতাও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
কোনো অভিযোগ সত্য হলে শুধু অর্থের বিনিময়ে তা মীমাংসার চেষ্টা ন্যায়বিচারের বিকল্প হতে পারে না। আবার অভিযোগ মিথ্যা হলে নিরপরাধ কাউকে হয়রানি বা অপমান করাও গ্রহণযোগ্য নয়।
বড়কাপনের জনগণের দাবি—টাকা দিয়ে আপস নয়, সত্যের বিচার চাই।
কথিত ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তার বক্তব্য গ্রহণ করা হোক। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য নেওয়া হোক এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। তদন্তে কোনো অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
কারও রাজনৈতিক পরিচয়, প্রভাব, ক্ষমতা কিংবা অর্থ যেন সত্যকে আড়াল করতে না পারে।
বড়কাপনের মানুষ অন্যায় আপস নয়—সুষ্ঠু তদন্ত, সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার চায়। বিজ্ঞপ্তি